ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার উপায়

1. ইউনিক এবং মানসম্মপূর্ণ কন্টেন্ট পোষ্ট করা

কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তা হলো “Content Is King” ওয়েবসাইট  যেমনই হোক কন্টেন্ট সবসময়ই গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন

2. আকর্ষনীয় ছবি

সোশ্যাল মিডিয়াসহ ‍ভিবিন্ন প্লাটফর্মে সুন্দর আইক্যাচি ফটোর সাথে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া থাকলে নরমাল যেকেনো সময়ের থেকে ওয়েবসাইট বেশি ভিজিটর পেয়ে থাকে।


3. রেসপন্সিভ বা ফ্রেন্ডলি ডিজাইন

সাইট গুলো যেন পিসিল্যাপটপফোনট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে পারে না।

4. কমেন্ট অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া

সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। এর ফলে ভিজিটর বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন পারবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর যখন সাইটের অথরের কাছে যায় তখন তিনি রিপলে দিবেন। যারফলে কোয়েশ্চেনকারী অথরের রিপলে পড়ার জন্য হলেও আবার ওয়েবসাইট টি আরেকবার ভিজিট করে

5. ডাটা এনালাইসিস করা

ওয়েবসাইট অথরিটিদের কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস কর। যাতে বোঝা যায় কোন বয়সের এবং কারা কোন সময়ে ভিজিট করে থাকে। সেই অনুযায়ী ডাটা এনালাইসিস করে পরবর্তী পোষ্ট গুলোতে এটাঅনুসরণ করলে ভিজিটর সংখ্যা বাড়বে।

6. সোশ্যাল মিডিয়া

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটভি থাকা। এর ফলে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ভিজিটর আসা বেড়ে যায়।

7. হাইপার লিংক / ইন্টানাল লিংক বৃদ্ধি করা

এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ন বিষয় মনে করেন আপনি একটা আর্টিকেল লিখছেন নেপালের এর জনপ্রিয় যায়গা গুলো নিয়ে। কিন্তু আপনি এর আগেই যে কোন আরো আর্টিকেল লিখেছেন। আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথ অন্য আর্টিকেলগুলোর টাইটেলটি ট্যাগ করে দিতে পারেন। এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা চান্স থাকবে।
ধন্যবাদ সবাইকে আশাকরি এই আর্টকেল টি পড়ে কিভাবে ভিজিটরে ধরে রাখা যায় সে ব্যাপার গুরুত্বপূর্ন কিছু ধারনা পাবেন
দয়াকরে আর্টিকেলটি সবার সাথে শেয়ার করুন।

গরমে পানি খাবেন, কি পরিমান খাবেন?

পানির অপর নাম জীবন শরীর সুস্থ রাখতে পানির পানের বিকল্প কিছু নেই গরমে বেশী বেশী পানিপান করা অত্যন্ত জরুরি কিন্তু নিয়ম মেনে পানি পান করা উচিত

# সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে কমপক্ষে দুই গ্লাস পানি পান করা উত্তম। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর হবে। এছাড়া এককাপ কুসুম গরম পানিতে লেবু  মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতেপারে। এতে শরীরের বিপাক ক্রিয়া বাড়ে এবং দ্রুত ওজন কমতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত দুইলিটার পানি পান করা আবশ্যক। তবে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত পানি গ্রহণ না করাই ভাল। এতেকিডনির উপর চাপ পড়ে

# আর খেয়াল রাখতে হবে পানিসহ যে পানীয় প্রতিদিন দুই লিটারের বেশি যেন না হয়। খাবারেরমাঝখানে পানি পান করা উচিত নয়। যে কোনো খাবার গ্রহণের অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করাউচিত। এছাড়া গরমে ঠাণ্ডা পানি পান করলে সর্দিকাশি হওয়ার আশঙ্কা বেশী।বিশেষ করে অধিকঠাণ্ডা পানি পান না করাই উত্তম। 

ডিমের খোসার কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবহার!

ডিমের খোসা যা আমরা ফেলে দিয়ে থাকি জানেন কি? ডিমের খোসাওআপনার উপকারে আসতে পারে আশ্চর্য হলেও সত্য এই ফেলেদেওয়া জিনিসটি কিছু অদ্ভুত ব্যবহার আছে, যা আপনার হয়তো জানেন নাতাহলে জেনে নেওয়া যাক ডিমের খোসার কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবহার!

ক্যালসিয়ামের বড় একটি উৎস: ডিমের খোসা মানুষ এবং গৃহপালিতপ্রাণীর জন্য ক্যালসিয়ামের অনেক বড় একটি উৎস। এটি ভাল করেমাইক্রোওয়েভ ওভেনে স্টেরিলাইজ করে নিয়ে গুঁড়ো করে নিয়ে ক্যালসিয়ামেরসাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। গুঁড়ো করা ডিমের খোসা লেবুররস কিংবা ভিনেগারে মিশিয়ে সালাদের ড্রেসিং হিসেবে ব্যবহার করতে পারেনএবং  মাসের বেশি বয়সী গৃহপালিত প্রাণীর খাবারে মিশিয়ে দিন

মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি: নিজের বাসায় শখের বাগান থাকলে ডিমেরখোসা ময়লার বালতিতে ফেলে না দিয়ে গাছের গোঁড়ায় দিন। চাইলে এটিভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দিতে পারেন। ডিমের খোসা থেকে মাটি পুষ্টি সঞ্চয়করে। এতে মাটির উর্বরতা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়

বাগানকে পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচায়: শুধু মাটির উর্বরতাইবৃদ্ধিই নয়। পোকামাকড়ের হাত থেকেও বাঁচায় ডিমের খোসা। বাগানেরবিভিন্ন স্থানে ডিমের খোসা ছড়িয়ে রাখুন। দেখবেন নানা ধরণেরপোকামাকড়ের হাত থেকে গাছ বেঁচে যাবে

ত্বক নরম করতে সাহায্য করে: ডিমের খোসায় লেগে থাকা ডিমেরখোসার লিক্যুইড ত্বকের জন্য অনেক বেশি ভালো একটি বিউটি প্রোডাক্টহিসেবে কাজ করে। আঙুলের মাথায় এই লিক্যুইড লাগিয়ে তা মুখে ঘষে নিন।দেখবেন ত্বক নরম  কোমল হয়ে উঠেছে

কাপড়ের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি: ডিমের খোসা সাদা কাপড়কে উজ্জ্বল করতেবেশ সহায়তা করে। একটি কাপড়ে মুড়িয়ে ওয়াশিং মেশিনের ভেতরে ডিমেরখোসা দিয়ে ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে দেখুন। সাধারনের তুলনায় অনেকভালো কাজ করবে

গাছের চারা অঙ্কুরিত করতে সহায়তা করে: যদি পছন্দের গাছেরচারা তোলার মতো ভালো স্থান না পান এবং বাইরের মাটিতে অনেক বেশিময়েসচার বেশি থাকে তবে ডিমের খোসা ব্যবহার করবেন। একটি ডিমেরওপরের চিকন অংশ সাবধানে খানিকটা ভেঙে ডিম বের করে নিয়ে এতেসামান্য মাটি দিয়ে বীজ দিয়ে দিন। কিছুদিনের মধ্যেই খুব ভাল চারা উঠেযাবে

মাদকের ভয়াবহতা ও প্রতিকার

মাদকদ্রব্য বলতে বোঝানো হয় যে, এমন দ্রব্য, যা খেলে নেশা হয়। এগুলো হোল গাঁজা, ফেন্সিডিল, চরস, ভাঙ, গুল, জর্দা, হেরোইন, পেথিদিন, মদ, ইয়াবা ইত্যাদি। যখন কেও এসব দ্রব্যাদির উপর নেশাগ্রস্থ হয় , তখনই তাকে মাদকাসক্ত বলা হয়।
কিশোর-কিশোরীরা কিভাবে নেশাগ্রস্থ হয়
  • বান্ধু বান্ধবের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
  • বিজ্ঞাপনের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
  • ভুল তথ্য, হতাশা, কৌতূহলবশতঃ।
  • আদর্শ মনে করে এমন কার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
  • স্মার্ট দেখানোর জন্য।
মাদকাসক্তির কুফল বা ক্ষতিকর দিকগুলো
মাদকদ্রব্য শারীরিক, মানসিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ক্ষতি করে থাকে।
মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি
  • শেখার ক্ষমতা এবং কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয়।
  • বিচার-বিবেচনা, ভুল ঠিক বোঝার করার ক্ষমতা হারিয়ে যায়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।
  • আবেগ নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকেনা।
  • উগ্র আচরণের জন্ম দেয়।
  • মানসিক পীড়ন বাড়িয়ে দেয়, আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়। স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়।
শারীরিক ক্ষতি
  • মস্তিষ্ক ও শ্বাসযন্ত্রের ক্ষমতা ও শরীরের সূক্ষ্ম অনুভূতি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতি শক্তি কমিয়ে দেয়।
  • স্বাভাবিক খাদ্য অভ্যাস নষ্ট করে।
  • যৌন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
  • এইডস রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
  • হৃদরোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
অর্থনৈতিক ক্ষতি
  • পরিবারে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়।
  • স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খারচ বেড়ে যায়।
  • কর্মক্ষম জনশক্তি কমে যায়।
মাদকাসক্তির প্রতিরোধ ও এর প্রতিকার কিভাবে করা যায়
মাদক প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা, শিক্ষা, পরিমিত জীবন যাপন, বন্ধু নির্বাচন, দায়িত্বশীলতা ইত্যাদি মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পথ।

যে ভাবে বানাবেন আপনার প্রফেশনাল ফাইবার একাউন্ট।

আজকে আমি আলোচনা করার চেষ্টা করবো একটি জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেস ফাইবার নিয়ে।
আমি ফাইভার সম্পর্কে আমার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করব। তাহলে  শুরু করি আজকের টিউন।

ফাইভার কি ?
ফাইভার একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখানে একজন কোন প্রোডাক্ট বিক্র করে আর একজন বায়ার  সেটা ক্রয় করে
ধরুন কারো একটি Logo Design করার দরকার। আর আপনি ডলারের বিনিময়ে Logo Design করে দিতে পারবেন। এখন যদি কোন বায়ার তার কোম্পানীর জন্য Logo Design চায়, তাহলে সে ডলারের বিনিময়ে আপনাকে দিয়ে কাজটি করিয়ে নিতে পারবেন
ফাইবার কি তা তো বুঝলাম কিন্তু ফাইবারে কাজ করতে হলে একটা ফাইবার একাউন্ট লাগবে , এবার দেখবো কি ভাবে একটা প্রোফেশনাল ফাইবার একাউন্ট করা যায়।.
১. প্রথম ব্রাউজারে প্রবেশ করব। http://www.fiverr.com
এবার নিচের মত একটা পেজ আসবে। পেজের উপরের দিকে দেখেন join লিখা আছে। আমরা এ ক্লিক করব.






২. join ক্লিক করার এরকম একটা পপ-আপ পেজ আসবে। ওই খানে আপনি আপনার যে ইমেইল টা দিয়ে ফাইবার একাউন্ট করতে চা সেটা বস্ক এবং Continue বাটনে ক্লিক করুন  অথবা আপনি আপনার ফেজবুক ,টুইটার ,গুগল প্লাস দিয়া ও ফাইবার একাউন্ট করতে পারবেন এই অপশন গুলা ও আপনি পপ আপ বস্ক এর নাইস পাবেন




৩. Continue বাটনে ক্লিক করার পর নিচের  রো একটা পপ আপ পেজ আসবে ওখানে আপনি আপনার user name  এবং passwoed বসিয়ে join বাটনে ক্লিক করুন।




৪.এরপর আপনার ইমেইল এ কনফার্ম মেসেজ আসবে ম্যাসেজটা ওপেন করে  Active Your Account করে ক্লিক করুন




৫. এখন আপনার  ফাইবার একাউন্ট একটিভ হয়ে যাবেএর পর আপনার প্রোফাইল এডিট করবেন, যদি প্রোফাইল ভাল না হয় তা হলে বায়ারের থেকে কাজ পাবার আশা করা যাবে না, কারন  যত ভাল কাজ জানেন না কেন বায়ার দেখবে আপনার প্রোফাইলটা। তাই আপনার প্রথম কাজ হল প্রোফাইলটা প্রফেশনাল করা, প্রোফাইল এডিটকরতে প্রথমে আপনার user name এর উপর ক্লিক করে  satting যান এরপর publice profile satting এ যান।

৬.রপর নতুন একটি পেজ আসবে সেখানে আপনি আপনার একটা  প্রোফাইল পিকচার দিন ,ছবিটা হাসি হাসি মুখেরচেষ্টা করবেন, বাকি অপশন গুলা নিচের ভিডিও লিংক দিয়ে দিলাম কিস্তারিত দেখে নিন। একটি একাউন্ট তৈরী করুন, 








হঠাৎ কেহ জ্ঞান হারালে কি করবেন

জ্ঞান হারানোর সাধারণ কারণঃ

ü  মাতলামি

ü  মাথায় আঘাত

ü  শক

ü   বিষক্রিয়া

ü  বহুমুত্র 

ü  মূর্ছনা(ভয়, দুর্বলতা ইত্যাদি থেকে)

ü  হার্ট অ্যাটাক

ü  মৃগী

যদি কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে, আর যদি কারণ না জানেন, তাহলে আপনার করনীয়ঃ

ü লোকটি কি ভালোভাবে শ্বাস নিচ্ছে ? যদি না নেয়, তার মাথা একেবারে পিছন দিকে হেলিয়ে দিয়ে তার চোয়াল আর জিহবাকে সামনের দিকে টানুন তার গলায় কিছু আটকে থাকলে সেটা টেনে বের করে দিন যদি দেখেন সে শ্বাস নিচ্ছে না তখনই মুখে মুখ দিয়ে শ্বাস দিতে আরম্ব করুন
ü রোগীর কি প্রচুর রক্তপাত হচ্ছে ? তাহলে রক্তপাত বন্ধের ব্যবস্থা করুন
ü সে কি শকের অবস্থায় আছে (ভিজে,ফ্যাকাসে গা, ক্ষীণ দ্রুত নাড়ি) ? তাহলে তাকে পায়ের থেকে মাথা নিচুতে রেখে শুইয়ে দিন আর তার কাপড়চোপড় আলগা করে দিন
ü এটা কি সর্দিগর্মি হতে পারে (ঘাম নেই, জ্বর বেশি, গা গরম আর লাল) ? তাহলে তাকে রোদ থেকে সরিয়ে ছায়ায় রাখুন মাথা পায়ের থেকে উঁচুতে রাখুন আর তাকে ঠান্ডা পানি দিয়ে (সম্ভব হলে বরফ পানিতে ) ভিজিয়ে দিন

যদি অজ্ঞান রোগীর বড় ধরনের আঘাত লেগে থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকেঃ

ü জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত রোগীকে না নাড়ানোই ভাল যদি নাড়াতেই হয়, তাহলে খুব সাবধানে নড়াবেন, কারণ তার ঘাড় বা পিঠ ভেঙ্গে থাকলে, অবস্থা বদল করলে আঘাত আর বেড়ে যেতে পারে
ü ক্ষত আছে বা হাড় ভেঙ্গেছে কিনা দেখুন, কিন্তু রোগীকে যতটা সম্ভব কম নড়াবেন তার পিঠ বা ঘাড় বাঁকাবেন না

কীভাবে গর্ভধারণ ঘটে

কীভাবে গর্ভধারণ ঘটে
একটি মেয়ের মাসিক শুরু হয় ১২১৩ বছর বয়সে এবং মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি মাসে একটি করে ডিম্বাণু পরিপক্ক হয়। এই ডিম্বাণু সাধারণত দুই মাসিকের মাঝামাঝি সময়ে ডিমের থলি থেকে ডিম্ববাহী নালীতে আসে। এই সময়ে যদি যৌনমিলন হয়, তাহলে পুরুষের শুক্রাণু যোনিপথ দিয়ে ডিম্ববাহী নালীতে গিয়ে পৌঁছে। সেখানে ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হওয়ার ফলে ভ্রুণ তৈরি হয়। একে গর্ভধারণ বলে। এই ভ্রুণ কয়েক দিন পর জরায়ুতে এসে পৌঁছে এবং সেখানে বড় হয়ে শিশুতে পরিণত হয়। ২০ বছর বয়সের আগে শরীরের বৃদ্ধি পুরোপুরি না হওয়ার কারণে মেয়েদের গর্ভবতী /সন্তান ধারণ করা উচিত নয়
সময় শিশুটি একটি গর্ভফুলের (ফুল) মাধ্যমে মায়ের জরায়ুর সাথে যুক্ত থাকে এবং গর্ভফুলের মধ্য দিয়ে শিশু মায়ের কাছ থেকে পুষ্টি পায়। সাধারণত মাস দিন এভাবে মায়ের জরায়ুতে কাটানোর পর মায়ের প্রসব ব্যথা ওঠে এবং শিশু যোনিপথ দিয়ে বের হয়ে আসে। একেই প্রসব বা ডেলিভারি বলে। কখনো কখনো সমস্যা থাকলে পেট কেটে বা অপারেশন করে বাচ্চা বের করা হয়
গর্ভধারণ রোধের উপায়
বেশির ভাগ স্বামীস্ত্রী বিয়ের শুরুতেই বাচ্চা নেয়ার কথা ভাবে না। প্রথমে তারা পরস্পরকে জানতে চায়, বুঝতে চায়, কিছুটা প্রস্তুতি নিতে চায়। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে না জানার কারণে এবং কোনো পদ্ধতি ব্যবহার না করার কারণে অনেক দম্পতির ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও বিয়ের পরপরই গর্ভধারণ করে। তাই, শুরুতেই বাচ্চা নিতে না চাইলে প্রথম রাত থেকে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে, প্রথম রাত থেকেই কনডম ব্যবহার করতে হবে এবং পরবর্তীতে স্বাস্থ্যকর্মীর সাথে পরামর্শ করে যেকোনো পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহার করা প্রয়োজন। কনডম নবদম্পতিদের জন্য একটি উপযুক্ত পদ্ধতি
গর্ভধারণের লক্ষণ বা উপসর্গ
নিম্নের উপসর্গগুলো যত্নের সাথে লক্ষ্য করলে বোঝা যাবে যে একজন মহিলা গর্ভধারণ করেছেন কিনা। তবে মনে রাখতে হবে, সবগুলো উপসর্গ একই সাথে একজন গর্ভবতী মহিলার নাও থাকতে পারে
) মাসিক (ঋতুস্রাব) বন্ধ হয়ে যাওয়া। সন্তান ধারণক্ষম কোনো মহিলার মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে গর্ভধারণের কথাই সবার আগে মনে করতে হবে। 
) স্তনে পরিবর্তন: সন্তান গর্ভে আসলে মহিলাদের স্তনে বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যেমন, স্তনগুলো আকারে বাড়তে থাকে, স্তনে হালকা ব্যথা হয়, স্তনের উপরের ধমনীগুলো মোটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে, স্তনের বোঁটার পরিবর্তন, বোঁটার চারপাশের গোলাকার চামড়ার রং গাঢ় বাদামী বা কালো হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি। 
) ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া। 
) মুখে স্বাদ পরিবর্তন হওয়া। বিশেষ করে মসলাযুক্ত খাবারের প্রতি অনীহা ইত্যাদি। 
) ঘুম থেকে উঠলে বমি বমি ভাব হওয়া বা বমি হওয়া। 
) ক্লান্তি অনুভব করা
উপরের উপসর্গ গুলি দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত
গর্ভধারণ নিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু পরীক্ষা
মাসিক যদি নিয়মিত হয় তবে শেষ মাসিকের প্রথম দিন হতে হিসাব করে সপ্তাহ পরে সকাল বেলার প্রথম প্রস্রাব দিয়ে প্রেগনেন্সি টেষ্ট(Pregnancy test) করা যায় ছাড়া রক্ত পরীক্ষায়বিটা এইচসিজি (Beta HCH) গর্ভবতী কিনা জানা যায়। এই পরীক্ষা দ্বারা কারও মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার কয়েকদিন আগেই বলে দেওয়া যায় তিনি গর্ভবতী কিনা। গর্ভাবস্থার আল্ট্রা সাউন্ড (Ultra Sound) পরীক্ষার মাধ্যমে জরায়ূতে বাচ্চা দেখা যায়। যাদের মাসিক নিয়মিত হয় তাদের বেলায় ৭ম সপ্তাহ থেকে Ultra Sound পরীক্ষা করলেই গর্ভে সন্তান আছে কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যায়

অতিরিক্ত টাচ স্ক্রিন ব্যবহারে শিশুদের যে ক্ষতি হয়

এখনকার শিশুরা মোবাইল ফোন বা ট্যাবের টাচস্ক্রিনে ভিডিও গেমস খেলায় কাটায় অনেকটা সময়। প্রাপ্তবয়স্কদের থেকেও তারা অনেক বেশি প্রযুক্তি পারদর্শী। বাবা-মায়েরাও বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখার জন্য নিজের স্মার্টফোন তাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে থাকেন। ফলে স্মার্টফোন ঘাটতে ঘাটতে শিশুরাও অ্যাডিক্টেড হয়ে পড়ছে। 
আপনিও কি শিশুর হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দিচ্ছেন? তাহলে জেনে নিন টাচস্ক্রিন স্মার্টফোন শিশুর কী কী ক্ষতি করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত টাচস্ক্রিন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ভিডিও গেমের ব্যবহার শিশুর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শিশু ক্রমশ পেনসিল ধরতে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে। 

চিকিৎসকদের মতে, টাচস্ক্রিন ফোন কিংবা ট্যাবলেট ব্যবহার করার সময়ে শিশুদের আঙুলের পেশি সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে বাধা পায়। আঙুলের জোর বাড়ে না। ফলে যখন তারা পেনসিল ধরতে গেলে আঙুলে জোর পায় না। আঙুল সঠিকভাবে নড়চড়াও করতে পারে না।

এই প্রসঙ্গে ইংল্যান্ড ফাউন্ডেশন এনএইচএস ট্রাস্টের প্রধান পেডিয়াট্রিক থেরাপিস্ট স্যালি পাইন জানান, বাচ্চাদের ঠিক মতো পেনসিল ধরার জন্য আঙুলের পেশির জোর ও পেশি সঠিকভাবে চলাচল করা দরকার। টাচস্ক্রিন ব্যবহারের ফলে এটা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এভাবে ঠিক মতো পেনসিল না ধরতে পারার ফলে হাতের লেখা খারাপ হচ্ছে। ফলে পরীক্ষায় নম্বরও কম পাচ্ছে। সূত্র: জিনিউজ।

সন্তান ছেলে বা মেয়ে হওয়ার কিছু প্রক্রিয়া

একজন সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা পিতার ক্রোমোজোমের (কোষের অভ্যন্তরে অতি ক্ষুদ্র দ্রব্য যা প্রতিটি কোষ তথা পুরো মানব দেহের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে) উপর নির্ভর করে। একজন সুস্থ মানুষের ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে – ৪৪ টি অটোসম এবং ২ টি সেক্স ক্রোমোজোম। এই দুটি সেক্স ক্রোমোজোম দিয়ে বোঝা যায় কোষটি স্ত্রী না পুরুষের। একজন সুস্থ পুরুষের ক্রোমোজোম ৪৪, xy এবং একজন সুস্থ নারীর ক্রোমোজোম ৪৪, xx। যখন ডিম্বাণু ও শুক্রাণু পরিপক্ব হয়ে নিষিক্তকরণের জন্য প্রস্তুত হয়, তখন প্রতিটি ডিম্বাণু ও শুক্রাণুতে এই ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায়; এবং নিষিক্তকরণের পর আবার পূর্ণসংখ্যা প্রাপ্ত (৪৬ টি ) হয়। অর্থাৎ একজন মানব শিশুর শরীরে অর্ধেক ক্রোমোজোম আসে মায়ের কাছ থেকে এবং অর্ধেক আসে বাবার কাছ থেকে, যাতে কিনা উভয় বংশের ধারাবাহিকতা রক্ষা হয়। যদি ২২x শুক্রাণুর সাথে ২২x ডিম্বাণুর মিলন (২২x+২২x = ৪৪ xx ) হয় তাহলে সন্তানটি হবে মেয়ে। আর যদি ২২y শুক্রাণুর সাথে ২২x ডিম্বাণুর মিলন (২২y+২২x = ৪৪ xy ) হয় তাহলে সন্তানটি হবে ছেলে। যেহেতু বাবার শুক্রাণুতে xy ক্রোমোজোম থাকে তাই সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ভর করে বাবার থেকে আসা ক্রোমোজোমের উপর।
সূত্রঃ পরিবার পরিকল্পনা ম্যানুয়েল, স্বাস্থ্য অ পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ২০১২.
গর্ভধারণের জন্য উপযুক্ত বয়স, সময় এবং বিরতি
  • ২০ বছর বয়সের আগে একটি মেয়ের শরীরের বৃদ্ধি পুরোপুরি না হওয়ার কারণে মেয়েদের গর্ভবতী /সন্তান ধারণ করা উচিত নয়।
  • ২০ বছর বয়সের আগে গর্ভধারণ করলে প্রসব বেদনা দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে প্রসব জনিত ফিস্টুলা হবার ঝুঁকি থাকে।
  • খিঁচুনি বা এক্লাম্পসিয়া
  • প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ
  • অপরিণত ও কম বয়সের সন্তান
  • দুই সন্তানের জন্মের মাঝে কমপক্ষে ৩ বছরের বিরতি দেয়া।
  • মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য কমপক্ষে ৩ বছর বিরতি প্রয়োজন।
  • ঘন-ঘন সন্তান নিলে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
  • কম ওজনের সন্তান প্রসব।
  • মায়ের রক্ত স্বল্পতা ও অপুষ্টি।
  • মায়ের পঁয়ত্রিশ (৩৫) বছর বয়সের পর সন্তান না নেয়া।
  • সুস্থ সন্তানের জন্য ৩৫ এর পর গর্ভধারণ না করাই ভালো।
  • বিকলাঙ্গ বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।
  • গর্ভকালীন ডায়বেটিস হতে পারে।
  • মায়ের উচ্চ রক্তচাপ ও খিঁচুনি।
  • প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ ও গর্ভপাতের সম্ভাবনা।
  • গর্ভপাতের পর কমপক্ষে ৬ মাসের বিরতিতে গর্ভধারণ। গর্ভপাতের ৬ মাসের আগে গর্ভধারণ করলে বেশ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।
  • সময়ের আগে পানি ভাঙ্গা।
  • সন্তান কম ওজনের হওয়া।
  • মায়ের রক্ত স্বল্পতা।
  • অপরিণত সন্তান জন্ম দেয়া।