Author Archives: Hasan Online Care
ওয়েবসাইটে ভিজিটর ধরে রাখার উপায়
1. ইউনিক এবং মানসম্মপূর্ণ কন্টেন্ট পোষ্ট করা
2. আকর্ষনীয় ছবি
3. রেসপন্সিভ বা ফ্রেন্ডলি ডিজাইন
4. কমেন্ট অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া
5. ডাটা এনালাইসিস করা
6. সোশ্যাল মিডিয়া
7. হাইপার লিংক / ইন্টানাল লিংক বৃদ্ধি করা
গরমে পানি খাবেন, কি পরিমান খাবেন?
ডিমের খোসার কিছু ব্যতিক্রমী ব্যবহার!
মাদকের ভয়াবহতা ও প্রতিকার
- বান্ধু বান্ধবের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
- বিজ্ঞাপনের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
- ভুল তথ্য, হতাশা, কৌতূহলবশতঃ।
- আদর্শ মনে করে এমন কার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
- স্মার্ট দেখানোর জন্য।
- শেখার ক্ষমতা এবং কাজের দক্ষতা কমিয়ে দেয়।
- বিচার-বিবেচনা, ভুল ঠিক বোঝার করার ক্ষমতা হারিয়ে যায়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।
- আবেগ নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকেনা।
- উগ্র আচরণের জন্ম দেয়।
- মানসিক পীড়ন বাড়িয়ে দেয়, আত্মহত্যার প্রবণতা দেখা দেয়। স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়।
- মস্তিষ্ক ও শ্বাসযন্ত্রের ক্ষমতা ও শরীরের সূক্ষ্ম অনুভূতি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতি শক্তি কমিয়ে দেয়।
- স্বাভাবিক খাদ্য অভ্যাস নষ্ট করে।
- যৌন ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
- এইডস রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
- হৃদরোগ সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
- পরিবারে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি হয়।
- স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খারচ বেড়ে যায়।
- কর্মক্ষম জনশক্তি কমে যায়।
যে ভাবে বানাবেন আপনার প্রফেশনাল ফাইবার একাউন্ট।
২. join ক্লিক করার এরকম একটা পপ-আপ পেজ আসবে। ওই খানে আপনি আপনার যে ইমেইল টা দিয়ে ফাইবার একাউন্ট করতে চান সেটা বস্ক এবং Continue বাটনে ক্লিক করুন অথবা আপনি আপনার ফেজবুক ,টুইটার ,গুগল প্লাস দিয়া ও ফাইবার একাউন্ট করতে পারবেন এই অপশন গুলা ও আপনি পপ আপ বস্ক এর নাইস পাবেন
হঠাৎ কেহ জ্ঞান হারালে কি করবেন
জ্ঞান হারানোর সাধারণ কারণঃ
ü মাতলামি
ü মাথায় আঘাত
ü শক
ü বিষক্রিয়া
ü বহুমুত্র
ü মূর্ছনা(ভয়, দুর্বলতা ইত্যাদি থেকে)
ü হার্ট অ্যাটাক
ü মৃগী
যদি কেউ অজ্ঞান হয়ে পড়ে, আর যদি কারণ না জানেন, তাহলে আপনার করনীয়ঃ–
যদি অজ্ঞান রোগীর বড় ধরনের আঘাত লেগে থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকেঃ–
কীভাবে গর্ভধারণ ঘটে
২) স্তনে পরিবর্তন: সন্তান গর্ভে আসলে মহিলাদের স্তনে বিভিন্ন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যেমন, স্তনগুলো আকারে বাড়তে থাকে, স্তনে হালকা ব্যথা হয়, স্তনের উপরের ধমনীগুলো মোটা ও স্পষ্ট হয়ে ওঠে, স্তনের বোঁটার পরিবর্তন, বোঁটার চারপাশের গোলাকার চামড়ার রং গাঢ় বাদামী বা কালো হয়ে যাওয়া, ইত্যাদি।
৩) ঘনঘন প্রস্রাব হওয়া।
৪) মুখে স্বাদ পরিবর্তন হওয়া। বিশেষ করে মসলাযুক্ত খাবারের প্রতি অনীহা ইত্যাদি।
৫) ঘুম থেকে উঠলে বমি বমি ভাব হওয়া বা বমি হওয়া।
৬) ক্লান্তি অনুভব করা।
অতিরিক্ত টাচ স্ক্রিন ব্যবহারে শিশুদের যে ক্ষতি হয়
এখনকার শিশুরা মোবাইল ফোন বা ট্যাবের টাচস্ক্রিনে ভিডিও গেমস খেলায় কাটায় অনেকটা সময়। প্রাপ্তবয়স্কদের থেকেও তারা অনেক বেশি প্রযুক্তি পারদর্শী। বাবা-মায়েরাও বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখার জন্য নিজের স্মার্টফোন তাদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে থাকেন। ফলে স্মার্টফোন ঘাটতে ঘাটতে শিশুরাও অ্যাডিক্টেড হয়ে পড়ছে।
আপনিও কি শিশুর হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দিচ্ছেন? তাহলে জেনে নিন টাচস্ক্রিন স্মার্টফোন শিশুর কী কী ক্ষতি করছে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত টাচস্ক্রিন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট বা ভিডিও গেমের ব্যবহার শিশুর ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শিশু ক্রমশ পেনসিল ধরতে অক্ষম হয়ে পড়তে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, টাচস্ক্রিন ফোন কিংবা ট্যাবলেট ব্যবহার করার সময়ে শিশুদের আঙুলের পেশি সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে বাধা পায়। আঙুলের জোর বাড়ে না। ফলে যখন তারা পেনসিল ধরতে গেলে আঙুলে জোর পায় না। আঙুল সঠিকভাবে নড়চড়াও করতে পারে না।
এই প্রসঙ্গে ইংল্যান্ড ফাউন্ডেশন এনএইচএস ট্রাস্টের প্রধান পেডিয়াট্রিক থেরাপিস্ট স্যালি পাইন জানান, বাচ্চাদের ঠিক মতো পেনসিল ধরার জন্য আঙুলের পেশির জোর ও পেশি সঠিকভাবে চলাচল করা দরকার। টাচস্ক্রিন ব্যবহারের ফলে এটা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এভাবে ঠিক মতো পেনসিল না ধরতে পারার ফলে হাতের লেখা খারাপ হচ্ছে। ফলে পরীক্ষায় নম্বরও কম পাচ্ছে। সূত্র: জিনিউজ।
সন্তান ছেলে বা মেয়ে হওয়ার কিছু প্রক্রিয়া
- ২০ বছর বয়সের আগে একটি মেয়ের শরীরের বৃদ্ধি পুরোপুরি না হওয়ার কারণে মেয়েদের গর্ভবতী /সন্তান ধারণ করা উচিত নয়।
- ২০ বছর বয়সের আগে গর্ভধারণ করলে প্রসব বেদনা দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে প্রসব জনিত ফিস্টুলা হবার ঝুঁকি থাকে।
- খিঁচুনি বা এক্লাম্পসিয়া
- প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ
- অপরিণত ও কম বয়সের সন্তান
- দুই সন্তানের জন্মের মাঝে কমপক্ষে ৩ বছরের বিরতি দেয়া।
- মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য কমপক্ষে ৩ বছর বিরতি প্রয়োজন।
- ঘন-ঘন সন্তান নিলে গর্ভপাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
- কম ওজনের সন্তান প্রসব।
- মায়ের রক্ত স্বল্পতা ও অপুষ্টি।
- মায়ের পঁয়ত্রিশ (৩৫) বছর বয়সের পর সন্তান না নেয়া।
- সুস্থ সন্তানের জন্য ৩৫ এর পর গর্ভধারণ না করাই ভালো।
- বিকলাঙ্গ বাচ্চা জন্ম নিতে পারে।
- গর্ভকালীন ডায়বেটিস হতে পারে।
- মায়ের উচ্চ রক্তচাপ ও খিঁচুনি।
- প্রসব পরবর্তী রক্তক্ষরণ ও গর্ভপাতের সম্ভাবনা।
- গর্ভপাতের পর কমপক্ষে ৬ মাসের বিরতিতে গর্ভধারণ। গর্ভপাতের ৬ মাসের আগে গর্ভধারণ করলে বেশ কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে।
- সময়ের আগে পানি ভাঙ্গা।
- সন্তান কম ওজনের হওয়া।
- মায়ের রক্ত স্বল্পতা।
- অপরিণত সন্তান জন্ম দেয়া।














