বাচঁতে হলে স্ট্রোক থেকে বদলাতে হবে অভ্যাসগুলো

মস্তিষ্কে রক্ত চলালা বাধাগ্রস্ত হলেই স্ট্রোক হয়।সোট্রাক মানেই মৃত্যু এমন নয়, কিন্তু এতে মৃত্যুর ঝুকি অনেটা বেশী।সময়মত চিকিৎসা না নিলে মৃত্যুও হতে পারে।যেমন কিছু সমস্য রয়েছে যার সমাধান আমাদের হাতের মুঠায় আছে। দৈনদিন জীবনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারলেই স্ট্রোকের হাত থেকে মুক্তি পওেয়া সহজ।

অভ্যাস গুলো হলো।
১। প্রতিদিন শরীরচর্চা
নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। জগিং, স্কিপিং, হাঁটা বা যোগসন যেটাই আপনার ভাল লাগে দৈনিক অথবা সপ্তাহে পাঁচদিন 30 মিনিট করে অভ্যা সকরুন।

নিয়মিত শরীরচর্চা করলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং স্ট্রোকের ঝুকি কমে।

২। ধুমপানের অভ্যাস ছাড়ুন
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর- এ কথা সবারই জানা। ধুমপানে ফুসফুস নষ্ট হয় এবং উচ্চ রক্তচাপ সমস্যা হয়। যত দুরত সম্ভব ধুমপানের অভ্যাস ত্যাগ, বা কমিয়ে আনার চেস্টা করুন।
৩।কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন
যে খাবারে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল রয়েছে তা আপনার সুস্বাস্থের শত্রু। নিজের খবার সম্পর্কে সচেতন থাকুন।শরীরের উপযোগি খাবার সম্পর্কে জানুন। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিরামিষ খাদ্যাভ্যাসের জুরি নেই। খাবারের তালিকায় সবজি, মাস ও ফলের পরিমাণ বেশি রাখুন। এ গুলো কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে। স্টোকের সম্ভাবনাও কমে।

৪। লনণ কম খান
প্রদতদিনের খাদ্য তালিকায় লবণ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্ত অতিরিক্ত লবণ গ্রহনে বিভিন রোগ হতে পারে।তাই যথাসম্ভাব খাবারে লবণের পরিমান কমিয়ে নিন এতে রক্তচাপ বাড়ে ও স্ট্রোকের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়।তাই রাস্তার খাবার যেমন চটপটি, ঝালমুড়ি, স্যুপ ও মসলাযুক্ত খাবার না খাওয়াই উত্তম।সম্প্রতি যুক্তরাস্ট্রের একদল বিজ্ঞানীর তথ্য মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যাক্তি দিনে ৬ গ্রাম বা তার চেয়ে কম লবণ গ্রহণ করা উচিৎ।
৫। একাকিত্ত বর্জন করুন
সামাজিক মেলামেশায় মানুষের মন ভালো থাকে।যা হার্টের ভালো রাখে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখে। একাকীত্ব মানুষের স্ট্রোকের ঝুকি ৩২ শতাংশ বাড়িয়ে দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি  ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে। তাই সামাজিক মেলামেশা যার যত ভালো হবে মরণ রোগ স্ট্রোক তার থেকে তত বেশী দূরে থাকবে।

এছাড়াও আরো পাঁচটি কাজ রয়েছে এ ব্যাপারে সাবধান হওয়ার জন্য।
১. দিনে অন্তত ২০ মিনিট হাঁটুন
২. মানসিক অবসাদ থেকে সাবধান
৩. সাত ঘণ্টার ঘুম খুবই জরুরি
৪. মাইগ্রেন থেকে সাবধান
৫. রাঙা আলু খাওয়া শুরু করুন
৬. রাগ কমান

বিস্তারিত জানতে এখানে যান
ভালো লাগলে সিয়ার করে ব্ন্ধুদের জনিয়ে দিন।
ও আপনার মতামত দিন।

নিরাপদ রাখুন আপনার প্রিয় স্মাটফোনটি।

দিন  দিন যেমন বাড়ছে স্মাটফোন ব্যবহার, সাথে বাড়ছে স্মার্টফোনের নিরাপত্তাজনিত ঝামেলার।  অপারেটিং সমস্যা ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির ঘটনা ঘটছে।  আর অন্তরঙ্গ ছবিসহ গুরুত্বপূর্ণ টেক্সট ফাঁস হওয়ার খবর নিয়মিত হচ্ছে।  আর প্রতিষষ্ঠানগুলো পাল্লা দিয়ে সংযোজন করছে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সব প্রযুক্তি ও অ্যাপস।  আমাদের ইচ্ছা নিজের ফোনটি যেন নিরাপদ থাকে।  কারণ প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে হ্যাকারাও ততটাই উন্নত হচ্ছে।  আসুন  জেনে রাখি কি ভাবে নিজের স্মাটফোনটি নিরাপদ রাখব।
# অ্যাপ ইন্সটল #
বিভিন্ন কৌশলে মোবাইল হ্যাকি ও মোবাইলের তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করে থাকে হ্যাকাররা। তাই ফোনে অহেতুক অ্যাপ ইন্সটল না করা, অচেনা-অজানা প্রেরকের মেইলের লিংকে ক্লিক না করা। কেননা এসবের  আড়ালে হ্যাকাররা বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ফোনে ভাইরাস পাঠায়। এ ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করাই উত্তম।  
# স্ক্রিন লক বা পাসওয়ার্ড ব্যবহার #
স্মার্টফোনটি নিরাপদে রাখতে স্ক্রিন লক অথবা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।  কেননা ভুলেবসত ফোনটি কোথায় রেখে আসলে অন্য কেউ স্মার্টফোনটিতে প্রবেশ করে তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে।  আর হারিয়ে গেলেও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির হওয়ার আশংকা থাকে। তাই সব সময় স্ক্রিন লক ব্যবহার করা উচিত।  আর পাসওয়ার্ডটি শক্তিশালী হতে হবে, যাতে মোবাইল চোর বা হ্যাকাররা সহজেই মোবাইল থেকে তথ্য চুরি করতে না পারে।
# মোবাইল ব্যাকআপ #
আপনার মোবাইলের ব্যাকআপ রাখুন।  কম্পিউটারে, মেমোরি কার্ড বা ক্লাউডে ব্যাকআপ রাখুন।  ফোন চুরি বা হারিয়ে গেছে তা যেন উদ্ধার করা যায়।
# মোবাইল আপডেট #
মোবাইলের ক্ষমতা বুঝে সিস্টেম আপডেট দিতে হবে।  নতুন  অপারেটিং সিস্টেম আসলে তা সঙ্গে সঙ্গে  মোবাইলে আপডেট দেওয়া যাবে না,  আগে দেখতে হবে সেটা আপনার মোবাইলে সেটআপ নিবে কিনা।
# জিপিএস বা ব্লুটুথ # 
স্মার্টফোন সুরক্ষিত রাখতে হলে সব সময় ব্যবহারের পর জিপিএস, ব্লুটুথ বা ফোনের অন্যান্য তারবিহীন যোগাযোগের সিস্টেম বন্ধ করে রাখুন। এগুলো চালু থাকলে হ্যাকাররা সহজেই আপনার মোবাইল থেকে তথ্য চুরি করতে পারবে।
# এন্টি ভাইরাস ব্যবহার #
মোবাইলে যেন ভাইরাস ঢুকতে না পারে সেজন্য সচেতন থাকতে হবে।  অনেক সময় ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে।  তাই নিরাপত্তার জন্য এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত।  অ্যান্ড্রয়েডের প্লেস্টোরে বা অ্যাপলের আইওএসে রয়েছে নানা এন্টিভাইরাস অ্যাপ।  মোবাইল সুরক্ষার জন্য এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।  কারণ ভাইরাসওয়ালা কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন যুক্ত করলে তাতে ভাইরাস অ্যাটাক করতে পারে। 
# রিকোভারী অ্যাপ #
হারানো মোবাইলটি খুঁজে বের করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ রয়েছে।  আমরা আগে থেকে যদি রিকোভারী অ্যাপ ইনস্টল করে রাখি।   যদি মোবাইল চুরি হয় অথবা হারিয়ে যায় দুর থেকেই সেটা লক করে দেওয়া এবং সংরক্ষিত তথ্য মুছে ফেলা সম্ভব।  অ্যাপের সাহায্যে বিশেষক্ষেত্রে জিপিএস ব্যবহার করেমোবাইলের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

আয় করুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে

অনলাইনে আয় করার একটি অন্যতম উপায় হলো ওয়েবসাইট বা ব্লগ। আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট কিংবা একটি ব্লগ থাকেএবং আপনার ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগে যদি যথেষ্ট পরিমানে ভিসিটর থাকে তবে আপন দ্বারা সম্ভব অর্থ উপার্জন করা। দেখুন ওয়েবসাইট বা ব্লগ থাকা এবং তার সাথে যথেষ্ট পরিমানে ভিসিটর থাকলে বহুত উপায় আছে আয় করার জন্য। তবে আয় এর মাধ্যম হিসেবে উত্তম হল গুগল অ্যাডসেন্স। এটি একটি অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানি। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট অ্যাডসেন্স এর সাথে মনিটর করাতে পারবেন। অ্যাড থেকে উপার্জিত অর্থের এক শতাংশ গুগল আপনার সাথে শেয়ার করবে। কিন্তু আপনার প্রয়োজন পড়বে অসাধারন কিছু কনটেন্ট এর। আপনার কনটেন্ট যতো বেশি মানুষ পছন্দ করবে এবং ভিউ হবে আপনি অ্যাড থেকে ততো বেশি উপার্জন করতে পারবেন।
গুগল অ্যাডসেন্স ছাড়াও আরো অনেক অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানি আছে। যারা অনেক ভালো রেট দিয়ে থাকে। আপনি চাইলে অন্যান্য অ্যাড পাবলিশিং কোম্পানির অ্যাড ব্যবহার করেও ভালো উপার্জন করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটে যেকোনো প্রোডাক্ট প্রচার করেও আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।
তাই দেরি না করে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করে ফেলুন। তারপর দুনিয়ার সাথে শেয়ার করুন আপনার পোস্ট বা কনটেন্ট গুলো। আজকাল মাত্র এক হাজার টাকা দিয়েও ওয়েবসাইট বানানো যায়। খুব বেশি হলে ২/৩ হাজার টাকা খরচ পড়তে পারে। আপনি যদি নিজে বানাতে পারেন তবে বানিয়ে ফেলতে পারেন অথবা কারো কাছ থেকে বনিয়ে নিতে পারেন। আপনি চাইলে গুগল এর ব্লগার সেবাটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রী। ব্লগার দিয়ে ব্লগ তৈরি করে ব্লগিং করতে থাকুনঅনেক ভালো ভালো অনন্য কনটেন্ট তৈরি করুন। তারপর সেখানেও আপনি গুগল অ্যাডসেন্স লিঙ্ক করতে পারবেন এবং অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

ভূলত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন।

কি ভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াবেন।

আমরা যখন একটি ওয়েবসাইট তৈরির করি, প্রথমেই যে জিনিসটার উপর গুরুত্ব দেই তা হলো ভিজটির। ভিজিটর হলএকটি ওয়েবসাইটের প্রান। কি ভাবে ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানো এবং ভিজিটর ধরে রাখাযায়তার  কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জানবো।
তাহলে শুরু করা যাক।​ প্রথমে জানবোসাইটে ভিজিটর কিভাবে বাড়ানো যায়।

1- সোশ্যাল মিডিয়া

যখন নতুন কোন ওয়েবসাইট তৈরী করার হয়। তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই ওয়েবসাইটটি টার্গেট ভিজিটরদের কাছে পৌছানোর সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া।
আপনা যদি ফেসবুকইউটিউবইন্সটাগ্রামটুইটার প্রিন্টারেস্ট সম্পর্কে ভালো ধারনা থাকে তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর ডাইভার্ট করে আপনার ওয়েবসাইটে আনতে পারেন
বর্তমান সময়ের সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটই খুব ভালো পজিশনে যেতে পারে না। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৯ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে স্পেন্ড করে। যেখানে একজন পূর্ন বয়স্ক মানুষ দিনে ইউটিউবে ৪০মিনিটফেসবুকে ৩৫ মিনিটস্নাপচ্যাটে ২৫মিনিটইন্সটাগ্রামে ১৫ মিনিট এবং টুইটারে ১ মিনিট সময় ব্যায় করে। এ থেকে বুঝে নেয়া যেতে পরে সোশ্যাল মিডিয়াগুলো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য কতোটা গুরুত্বপূর্ন।

2-সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

নতুন বা পুরনো যেকোনো ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায় হতে পারে সার্চ ঞ্জি অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চঞ্জি গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করিসার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম 2-4 টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি।
সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে দেখানো। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর পরিধি অনেক বড়এটি শুরু করার আগে অনপেজঅফপেজটাইটেল এবং ইমেজ অপটিাইজেশনকীওয়ার্ড রিসার্চট্যাগ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন যানা থাকতে হবে।

3- ফোরম পোষ্টিং / প্রশ্ন-উত্তর সাইট

ওয়েবসাইটে ভিজিটর ভাড়ানোর কটি উত্তম উপায় হলো ফোরাম পোষ্টিং ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু তথ্যগুলোতে  আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। এখানে খেয়াল রাখতে হবে যে সাইটগুলোতে উত্তর দেয়ার সময় যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা নিষেদএসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে দেখে নিতে হবে।

4-ভিডিও মার্কেটিং

এটি ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অণ্যতম আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ও কমেন্ট বক্সে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে।
·         https://vimeo.com
·         http://www.ustream.tv

5- ব্লগ কমেন্ট

ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি পদ্ধতি হল ব্লগ কমেন্ট করা। নিশ রিলেটেড ব্লগ গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে।
এটি (SEO) এর ভাষায় বলাহয় ব্যাক লিংক। এতে যেমন  সাইটে ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট প্রথম দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক  করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়। তা না হলে গুগস সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।
এতখন আলোচনার মাধ্যমে আমরা ওয়বসাইটে কিভাবে ভিজিটর আনা যায় সে ব্যাপারে ধারনা হলআরো একটা বিষয় যে, ওয়েবসাইটে শুধু ভিজিটর আনলেই হবে না। সেই ভিজিটরকে অবশ্যই ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। এর বাইরে দেখাযায় অনেক ভিজিটর ওয়েবসাইট লোড হওয়ার পরপর ই ভিজিটর সাইট টি বন্ধ করে দেন। এটা যেকোনো ওয়েবসাইটের জন্য খুবই খারাপ লক্ষন। ওর ফলে ওয়েবসাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যায়।এবার আমরা বুঝতে পারলাম একজন ভিজিটরকে শুধু ওয়েবসাইটে ভিজিট করালেই হবে না। তাকে ওযেবসাইটের অন্য পেজগুলোতে নিয়ে যাওয়ার মতো কন্টেন্ট ওয়েবসাইটে রাখতে হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে আশাকরি এই আর্টকেল পড়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর কিভাবে বাড়ানো যায় সে ব্যাপার কিছু ধারনা পেয়ছেন। আবার একদিন হাজির হবো কিভাবে সাইটে ভিজিটর ধরে রাখা যায়।
দয়াকরে আর্টিকেলটি সবার সাথে শেয়ার করুন। আপনারা পোষ্টটি অবশ্যই শেয়ার করবেন। কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে আমাকে কমেন্ট করতে পারেন। ধন্যবাদ।

নিরাপদ রাখুন আপনার প্রিয় ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি

ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক হচ্ছে এ কথা ইদানিং বেশী বেশী শোনা যাচ্ছে! মরা সাধারণ মানুষ জেনে নেয়া উচিৎ কিভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিকে সুরক্ষিত রাখা যায়। চলোন সেই পদ্ধতি গুলো জানার চেষ্টা করি।
 1। (Keep me logged in: আপনার ফেসবুকে লগইন করার সময় লগইন বক্সের এর নিচে একটি ‘Keep me logged in’ অপশন দেখতে পাবেন যেখানে টিক’ চিহ্ন দিবেন কি না? দিতে পারেন যদি সেই কম্পিউটারটি অন্য কেউ ব্যবহার না করে।
 2। পাসওয়ার্ড শেয়ার করবেন নাঃ কেননা বর্তমানে সবাই অনেক বেশি সচেতন এবং তাদের পাসওয়ার্ড অন্য কারও সাথে শেয়ার করে না। আপনার পাসওয়ার্ড অন্য কেউ জানলে সে হ্যাক না করলেও মাঝে মাঝে কৌতুহলের বসে আপনার অ্যাকাউন্টটে ঢুঁ মেরে যেতে পারে যার ফলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের বেজে যেতে পারে বারোটা!! 
3। কোথায় ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে লগ না করাই উত্তম। আপনি কোন বন্ধুর বাসায় বেড়াতে গেছেন । বন্ধু যদি খুব বেশি বিশ্বাসযোগ্য না হয়ে থাকে তবে তার কম্পিউটার থেকে ফেসবুকে লগইন না করাই ভাল। পাবলিক প্লেসে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার একান্তই প্রয়োজন হয়, তবে কিছূদিক খেয়াল রাখবেন।
• যে কারও কম্পিউটারে ফেসবুকে লগইন করার সময় ‘Keep me logged in’ অপশনটিতে টিক চিহ্ন দিবেন না।
• লগইন করার সময় একটু চেক করে দেখুন যে, কোন সফটওয়ার বা কী-লগার ইন্সটল করা আছে কি না।
• ব্যবহার করুন ইউনিক এবং লম্বা একটি পাসওয়ার্ড, যেন সহজে পাসওয়ার্ডটি অনুমান করা না যায়।  • তবে একটিইউনিক এবং লম্বা পাসওয়ার্ড কিন্তু আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা করতে যথেষ্ট নয়। কারণপাসওয়ার্ড হ্যাক করার সময় ডিকশনারী মেথড’ নামের একটি মেথড ব্যবহার করে থাকে তাইশক্তিশালী পাসওয়ার্ডের জন্য অবশ্যই ছোট এবং বড় হাতের অক্ষরসংখ্যা এবং স্পেশাল ক্যারেকটার সমূহ (&*%$#@!/ইত্যাদি ব্যবহার করুন।
• আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির পাসওয়ার্ড প্রতি দু-তিন মাস অন্তর পরিবর্তন করুন
• ইন্টারনেটে একাউন্টগুলোতে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না। আপনি যদি গুগলটুইটার এবং ফেসবুকের জন্য একই পাসওয়ার্ড নির্ধারন করে থাকেন তবে একটি অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়া মানেই হচ্ছে অনান্য গুলো হ্যাক হওয়া শুধু সময়ের ব্যপার।
 4। প্রাইভেসি সেটিংস। এটি মূলত  ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় সবচাইতে বেশি ভূমিকা রাখে। চলুনপ্রয়োজনীয় কিছু নিরাপত্তা লেয়ার সম্পর্কে জেনে নেই।
• আপনার অ্যাকাউন্টে লগ-ইন করার পর Settings এ ক্লিক করে Security পেইজে যান। পেইজটির উপরে লেখা রয়েছে, ‘Secure Browsing’ এবং এর পাশে দেখবেন একটি অপশন রয়েছে ‘Browse Face book on a secure connection (https) when possible.’, টিক চিহ্ন দিন এবং save করুন। এতে করে আপনার অ্যাকাউন্টের নিরাপথাকবে।
• আবারোও Settings > Security –এ যান। Security Browsing এর নিচের দিকে একটি লেখা ‘Login Notifications’দেখতে পাবেন। এটি এডিট করুন এবং সম্ভব হলে ‘Email’ এবং ‘Text Message/Push notification’ দুটিতেই টিক চিহ্ন দিয়ে পরিবর্তন সংরক্ষন করুন। আপনি যদি এই অপশনটি চালু রাখেন তবে আপনি যদি অন্য কারও কম্পিউটার দিয়ে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে থাকেন তবে আপনার ই-মেইলে বা মাবাইলে একটি বার্তা পাবেন। যদি আপনি নিজেই ঢুকে থাকেন তবে তো আপনি জানবেনইযদি এরকম বার্তা পেয়ে থাকেন তবে আপনি বুঝতেই পারবেন যে অন্য কেহ আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করার চেষ্টা করছে
• Settings > Security পেইজের তৃতীয় অপশনটিও গুরুত্বপূর্ন। এই তৃতীয় নম্বর নিরাপত্তা লেয়ারটি বা ‘Login approvals’ এর মাধ্যমে আপনি একটি নিরাপত্তা কোড পাবেন আপনার মোবাইলে। প্রতিবার আপনি যখন নতুন ব্রাউজার থেকে আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকতে যাবেন তখন ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরেও ঐ কোডটি আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। তাইএই নিরাপত্তা লেয়ারটি ব্যবহারের ফলে কেউ আপনার পাসওয়ার্ড জানলেও সেই কোডটি না জানার জন্য আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবেনা।
• Security পেইজে আরও একটি সিকিউরিটি লেয়ার রয়েছে যার নাম ‘Trusted Contacts’। টি ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা তিনজন ফ্রেন্ডকে ট্রাস্টেড কন্টাক্ট লিস্টে রাখতে পারবেন এবং আপনার অ্যাকাউন্ট কোন ভাবে হ্যাক হয়ে গেলে আপনি নির্ধারিত সেই তিন জন বন্ধুর সাহায্যে আপনার অ্যাকাউন্টটি উদ্ধার করতে পারবেন। 
5।ডাউনলোড করুন ফেসবুকের ডাটার কপি  আপনি যদি বেশ কয়েক বছর ধরে ফেসবুক ব্যবহার করতে থাকেন এবং অনেক গুরুত্বপূর্ন ডাটা যদি ফেসবুকে জমা হয়ে থাকে তবে আপনি আপনার ফেসবুক ডাটার একটি কপি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। এতে করে হ্যাকার যদি আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে আপনার অ্যাকাউন্টটি মুছেও দেয় তবুও আপনার ডাটা গুলো থাকবে সুরক্ষিত। আপনি Settings থেকে General পেইজের একদম নিচে এই ‘Download a copy of your Facebook data’ অপশনটি পাবেন।
উপরের পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করে সহজেই আপনি আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি হ্যাকারদের ছোবল থেকে রক্ষা করতেপারেন। উপরোক্ত সিকিউরিটি গুলো আপনি অ্যাকটিভ করা না থাকে তবে এখনি করে ফেলুন।
সবাই ভাল থাকবেন।

লিংকে শেয়ার করে প্রতি দিন 5/10 ডলার ইনকাম করুন

লিংকে শেয়ার করে প্রতি দিন 5/10 ডলার ইনকাম, 
কথা না বাড়িয়ে সরাসরি কাজের কথায় আসি।


প্রথমে নিচের সাইন-আপ এ ক্লিক করে সাইটে যান
অথবা এই লিকে যান 
Step1:- এরপর Affiliate program  ক্লিক করুন

Step2:- follow this link  ক্লিক করুন।।
Step 3:- রেজিস্ট্রেশন ফরম টি পুরন করুন

Step 4:- রেজিস্ট্রেশন ফরম এর নিচের  নাম্বার বক্স ছাড়া সব গুলোতে টিক ()চিহ্ন দিন


Step 5:- এরপর Registration  ক্লিক করুন

একাউন্ট খোলা হয়ে গেলে Affiliate program  ফিরে এসে লগ ইন করুন

লগ ইন হয়ে গেলে দেখুন উপরের দিকে Affiliate Link রয়েছে । লিংক টা কপিকরে
এবং ফেসবুকের বড় বড় গ্রুপে শেয়ার করুন
যখন গ্রুপের একজন মেম্বার লিংকে ক্লিক করবে আপনি
পেয়ে যাবেন  সেন্ট
২৫ জন ক্লিক করলে পাবেন x২৫ সেন্ট=১০০ সেন্ট=১ডলার
এবং ১০০ জন ক্লিক করলে পাবেন  ডলার
এবাবে আপনি দিনে ১০১৫ ডলার আয় করতে পারবেন
পেমেন্ট প্রুফ এর জন্য ইউটিউব অথবা গুগলে
Bestchange Payment proof লিখে সার্চ দিন
পেমেন্ট মেথড:- Paypal, Perfect money, Coinbase

ওজন কমানোর ১২টি সহজ উপায়

শরীরের  মেদ নিয়ে কি? আপনি চিন্তিত সুস্বাস্থ্যের শারীরিক সৌন্দর্যের জন্যও নারীপুরুষ উভয়েই  ওজন কমানোর কথা ভাবেন কিন্তু কর্মব্যস্ততার কারণে ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যায়াম বা ডায়েট করা সম্ভব হয়ে ওঠে না 
তবে জেনে নিন, কিছু সহজ কৌশল  যা অবলম্বন করলে বাড়তি ওজন কমানো সহজ । আপনিও পারবেন ওজন কমাতে। 

. পানি পান করুন
পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে শরীর আর্দ্র থাকে, এতে আপনার পেট ভরা এমন ভাবও তৈরি হবে। ক্ষুধাও কম লাগবে, কারণে আপনি কম খাবেন, ধীরে ধীরে ওজনও কমবে তাতে। দিনে অন্তত ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন।  
. ফ্রিজ পরিষ্কার করুন
শুনে হাসি পাচ্ছে? ওজন কমানোর সঙ্গে আবার ফ্রিজ পরিষ্কারের সম্পর্ক কী? সম্পর্ক আছে। ফ্রিজ বা রান্নাঘরে যেসব উচ্চমাত্রার ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার রয়েছে বা ফাস্টফুড রয়েছে, সেগুলো সরান। এর বদলে স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। রাখুন ফল সবজি। স্বাস্থ্যকর খাবার সামনে থাকলে এসব খাওয়ার অভ্যাসও ধীরে ধীরে তৈরি হবে। 
. চিনি শর্করা থেকে দূরে
চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে ১৫ দিন অন্তত দূরে থাকুন। পাশাপাশি শর্করাজাতীয় খাবার কম খান। ভাত, রুটি কম খান। এসব খাবার কম খেলে ওজন দ্রুত কমবে। 
. প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান
প্রোটিনসমৃদ্ধখাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। এতে পেশি স্বাস্থ্যকর হবে। প্রোটিন খাবার বাদ দিলে শরীরে এর বাজে প্রভাব পড়বে। ডিম, দুধ, মুরগির মাংস, ডাল খাদ্যতালিকায় রাখুন। তবে লাল মাংস (গরু, খাসি) এড়িয়ে চলুন। 
. সবজি খান বেশি বেশি
খুব সহজ কথা। সবজি খেলে ওজন কমে। হ্যাঁ, তাই থালায় বেশি বেশি সবজি রাখুন। সবজির মধ্যে রয়েছে পুষ্টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে। 
. ক্যালরি গ্রহণ 
আপনার শরীরের জন্য কতটুকু ক্যালরি দরকার, সে অনুযায়ী ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার খান। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
. খাবার বাদ দেবেন না
না খেয়ে কিন্তু ওজন কমানো যায় না। তাই কোনো বেলার খাবারকে বাদ দেওয়া যাবে না। দিনে অন্তত ছয়বার খান। তিনবেলা বড় খাবার তিনবেলা ছোট খাবারএভাবে খাবারকে ভাগ করুন। একেবারে খুব বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণ খাবার খান। 
. ফাস্টফুডকে না বলুন
প্রক্রিয়াজাতখাবার, ফাস্টফুড, কোমল পানীয়, সোডাএই খাবারগুলোকে একেবারে না বলুন। এগুলোর মধ্যে উচ্চ পরিমাণ ক্যালরি থাকে, এতে ওজন বাড়ে। 
. ছোট থালায় খান
বড় থালায় খেলে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই ছোট থালায় খান।  খাবার কম খেতে চামচও ব্যবহার করতে পারেন। হাত দিয়ে খেলে বেশি খাবার একবারে আপনি মুখে দেন। হাতের বিকল্প চামচ ব্যবহার করলে খাবার কম গ্রহণ করা হয়
১০. আয়নার সামনে বসে খান
শুনতে হয়তো অদ্ভুত লাগছে, তবে গবেষণায় বলা হয়, যেসব লোক আয়নার সামনে বসে খায়, তাদের ওজন দ্রুত কমে। কীভাবে? তারা নিজেকে দেখতে থাকে আর ভাবতে থাকে, ওজন কমানো দরকার। এই ভাবনা কাজে দেয় কি না, একবার পরীক্ষা করে দেখতে পারেন
১১. হাঁটুন
ওজন কমাতে হাঁটার কোনো বিকল্প নেই। আর হাঁটা তো কেবল ওজনই কমাবে না, কমাবে হৃদরোগের ঝুঁকিও। বিষণ্ণতা বা মন খারাপ ভাবও কমে যাবে অনেক। 
১২. একটু কম খান
আগে যেখানে হয়তো তিনটি রুটি খেতেন, সেখানে একটি রুটি খান বা যেখানে এক থালা ভাত খেতেন, সেখানে এক কাপ ভাত খান। এর বদলে পেট ভরুন সবজি আর ফল দিয়ে

হঠাৎ গলায় কিছু আটকে গেলে কী করবেন

যদি কখনো কারো গলায় খাবার, মাছের কাটা বা অন্য কিছু আটকে যায় আর সে শ্বাস নিতে না পারে তাহলে যা করণীয়ঃ-

  • তার পিছনে দাঁড়িয়েতার কোমরটাআপনার দুহাত দিয়েজড়িয়ে ধরুন
  • আপনার হাতের মুঠি তার পেটের উপর, নাভির থেকে উঁচুতে, পাঁজরের নিচে রাখুন
  • তারপর হঠাৎ জোরে ওপরদিকে ঝাঁকি দিয়ে পেটের ওপর চাপ দিন এতে রোগীর ফুসফুস থেকে বাতাস বেরিয়ে গিয়ে গলাটা পরিস্কার করে দেয় দরকার হলে আরো কয়েকবার করবেন

যদি লোকটি আপনার থেকে অনেক বড়সড় হয় বা ইতিমধ্যেই অজ্ঞান হয়ে গিয়ে থাকে, তাহলে তাড়াতাড়ি যা করনীয়ঃ– * তাকে চিৎ করে শোয়ান
  • এইভাবে তার উপরে বসুন, আপনার হাতের কজির গোড়াটা তার পেটেরওপরনাভি আর পাঁজরের মাঝখানে রাখুন
  • দ্রুত জোরে ওপর দিকে ঠেলে দিন দরকার হলে আরও কয়েকবার করুন
  • যদি লোকটি তখনো শ্বাস নিতে না পারে, মুখে মুখ দিয়ে শ্বাস দিতে চেষ্টা করুন

চিকিৎসা না করালে কী অসুবিধা হতে পারে
খাদ্যনালিতে ইনফেকশন

খাদ্যনালি ফুটো হয়ে ফুসফুসে ইনফেকশন হতে পারে, তখন পুঁজ জমতে পারে। ধারাল কিছু আটকে গেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে